সাংখ্য দর্শন (বিদ্যোদয় ভাষ্য) - পণ্ডিত উদয়বীর শাস্ত্রী

Arsh Library: সাংখ্য দর্শনের হিন্দি ভাষ্য PDF এক ক্লিকে ডাউনলোড করুন। সহজ ভাষায় ভারতের প্রাচীন তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা পড়তে এখনই পিডিএফ সংগ্রহ করুন।

সাংখ্য দর্শন - বিদ্যোদয় ভাষ্য

ভাষ্যকারঃ পণ্ডিত উদয়বীর শাস্ত্রী

ভূমিকাঃ সাংখ্যদর্শন ভারতীয় দর্শনের অন্যতম প্রাচীন শাস্ত্র, যার প্রবক্তা হিসেবে মহর্ষি কপিলকে মান্য করা হয়। কিন্তু আধুনিক কালে নানা ভ্রান্তি ও সন্দেহ এই দর্শনের প্রাচীনত্ব, সূত্রের প্রামাণ্যতা এবং কপিলের ঐতিহাসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষত, সাংখ্যসূত্র কপিলের রচনা নয়, কপিল নিরীশ্বরবাদী ছিলেন— ইত্যাদি ধারণা প্রচলিত হয়েছে। অথচ প্রাচীন সাহিত্য ও গুরুপরম্পরার সাক্ষ্যে প্রমাণিত হয় যে, কপিলই 'ষষ্ঠীতন্ত্র' তথা সাংখ্যশাস্ত্রের রচয়িতা এবং তিনি জগতের অধিষ্ঠাতা ঈশ্বরকেও স্বীকার করেছিলেন।

এই আলোচ্য ভাষ্যে প্রাচীন সূত্র, টীকা ও ঐতিহাসিক প্রমাণের ভিত্তিতে সাংখ্যের প্রকৃত রূপ উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে। পুরোনো ব্যাখ্যানগুলির অন্ধ অনুসরণ না করে এবং তাদের প্রতি অন্যায় না করে, আধুনিক ভ্রান্তিগুলির সংশোধন করা হয়েছে। ফলে সাংখ্যদর্শনের আসল সত্য ও কপিলপ্রদত্ত তত্ত্বপদ্ধতি এখানে স্পষ্ট হয়েছে, যা দর্শনের ইতিহাস ও সত্যরূপ বোঝার ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক হবে।

person ভাষ্যকার পরিচিতি

দর্শন শাস্ত্রের অভূতপূর্ব বিদ্বান পণ্ডিত উদয়বীর শাস্ত্রী ১৮৯৫ সালের ৬ জানুয়ারী, রবিবার বুলন্দশহর জেলার বনৈল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রারম্ভিক শিক্ষা সংগ্রামের সময় শুরু হয়। তারপর ৯ বছর বয়সে ১৯০৪ সালের জুলাই মাসে তাকে সিকান্দারবাদ গুরুকুলে ভর্তি করানো হয়। পুনরায় উচ্চ শিক্ষার জন্য ১৯১০ সালে তিনি জ্বালাপুর মহাবিদ্যালয় গুরুকুলে ভর্তি হন। পুনরায় তিনি কোলকাতা থেকে (১৯১৫/১৯১৬) সালে ন্যায়তীর্থ তথা সাংখ্য-যোগতীর্থ পরীক্ষা উত্তীর্ণ হন। পুনরায় তিনি পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শাস্ত্রী, বানারস থেকে বেদান্তাচার্য, গুরুকুল বিশ্বদ্যিালয় থেকে বিদ্যাভাস্কর আদি পরীক্ষাতেও সফলভাবে উত্তীর্ণ হন। তাকে জ্বালাপুর বিশ্বদ্যিালয় গুরুকুল থেকে বিদ্যাবাচস্পতি উপাধী প্রদান করা হয়। জগন্নাথপুরীর ভূতপূর্ব শঙ্করাচার্য শ্রী ভারতী কৃষ্ণতীর্থ মহাশয় তার অপার পাণ্ডিত্য দেখে তাকে বেদরত্ন তথা শাস্ত্র শেবধি উপাধীতে ভূষিত করেন।

auto_stories বই পরিচিতি

'বিদ্যোদয়' ভাষ্যের বৈশিষ্ট্য:

প্রায় দেখা যায় যে, দর্শনগুলির হিন্দিতে আধুনিক ব্যাখ্যা অথবা আগে লেখা সংস্কৃত ব্যাখ্যাকারদের অনুবাদমাত্র হয়, অথবা সেসব অনুসরণে কিছু কমবেশি করে লেখা হয়ে থাকে। কিন্তু প্রস্তুত ভাষ্যে এমন কোনো বিষয় নেই। মূল সূত্রপদ অনুসারে এবং গুরুপরম্পরাদ্বারা প্রাপ্ত সাংখ্যজ্ঞানের গভীর বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সাংখ্যসিদ্ধান্তগুলির বাস্তবতাকে যথার্থরূপে বুঝানো হয়েছে, সেই অনুসারেই এই ভাষ্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে পুরোনো ব্যাখ্যানগুলির অন্ধানুকরণ নেই, আবার ইচ্ছাকৃতভাবে সেগুলির খণ্ডনও করা হয়নি। সেই সময়ের পরিবেশ ও পরম্পরাগুলির অনুসারে সেই ব্যাখ্যাকাররা যেমন বুঝেছেন, তেমনই ব্যাখ্যা করেছেন। তাদের আন্তরিক জ্ঞানভাণ্ডারের উপর কোনো প্রকারের প্রতিকূল ভাবনা করা অনুচিত হবে, তাদের সাথে অন্যায় করার সমান হবে।

এখন পরিস্থিতি ও উপায়ে পরিবর্তন এসেছে, বর্তমান পরিবেশে প্রচলিত নানা প্রকার ভ্রান্তির চাপে পড়ে যাওয়া অর্থগুলিকে তাদের বাস্তব রূপে উদ্ধার করা হয়েছে, যার ফলে সাংখ্যের অনেক যথাযথ তত্ত্বার্থ বুঝতে যথেষ্ট সুবিধা হয়েছে। ফলে স্বাভাবিক ছিল যে, এই ভাষ্যে আগের ব্যাখ্যানগুলির অন্ধানুকরণ না করা হয়। এইভাবে এই ভাষ্য সাংখ্যের অতি প্রাচীন পরম্পরাগুলির যথার্থতা উদ্ধারে যথেষ্ট পরিমাণে সহায়ক হবে।

সাংখ্য সূত্র সম্পর্কে প্রচলিত ভ্রান্তিগুলি:

ষড়ধ্যায়ীরূপ সাংখ্যদর্শন—যার অপর নাম 'ষষ্ঠীতন্ত্র'—ভারতীয় পরম্পরা অনুসারে অতি প্রাচীন কাল থেকে পরমর্ষি কপিলের রচনা বলে মান্য হয়ে আসছে। শুঙ্গকাল থেকে কিছু শতাব্দী পূর্বে এবং কিছু পরে সাংখ্য বিষয়ে যে সাহিত্য লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল, তা ঠিকভাবে না বুঝে বর্তমান শতাব্দীতে ভারতীয় পরম্পরার এই মান্যতায় সন্দেহ করা শুরু হয়েছে। অনেক আধুনিক বিদ্বানরা এমন মত প্রকাশ করেছেন যে, বর্তমান ষড়ধ্যায়ী সাংখ্যদর্শন কপিলের রচনা নয়। এর জন্য তিনটি বিষয়কে জোরালো প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়—
১. সাংখ্যের কিছু সূত্র কারিকারূপ (ঈশ্বরকৃষ্ণ রচিত সাংখ্যসপ্ততির মতো), তাই কারিকাগুলির ভিত্তিতে পরে কেউ এগুলির রচনা করেছিল।
২. শঙ্করাচার্য, সায়ণ প্রমুখ তাদের গ্রন্থে সাংখ্যসূত্রগুলির কোথাও উল্লেখ করেননি বা উদ্ধৃতও দেননি, অথচ কারিকাগুলির উদ্ধৃতি তাদের গ্রন্থে পাওয়া যায়। তাই সূত্রগুলির রচনা সায়ণ প্রমুখের পর হওয়া উচিত।
৩. সাংখ্যদর্শনের সূত্রগুলিতে কিছু স্থানে জৈন ও বৌদ্ধ মতের উল্লেখ ও তাদের খণ্ডন পাওয়া যায়, এবং ন্যায়-বৈশেষিক প্রভৃতির নামোল্লেখ আছে, যা এই সূত্রগুলির প্রাচীনত্বের বাধা এবং এগুলিকে কপিলের রচনা মানতে সন্দেহ তৈরি করে।

এছাড়াও অনেক বিদ্বান, বিশেষত পাশ্চাত্য চিন্তাবিদরা বলেছেন যে, কপিল নামে কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তি ছিলেন না, এটি একটি পুরাণকথার কল্পনামাত্র। তাহলে তার দ্বারা কোনো শাস্ত্র রচনার প্রশ্নই ওঠে না। এইরকম অনেক ভ্রান্তি ষষ্ঠীতন্ত্র (সাংখ্যদর্শন) এবং তার রচয়িতা সম্পর্কে আজকাল প্রচলিত আছে।

আমরা সাংখ্য বিষয়ক ভ্রান্তিগুলির প্রামাণিক বিশ্লেষণ আমাদের গ্রন্থ 'সাংখ্যদর্শনের ইতিহাস'-এ করেছি, যার অধ্যায়ভিত্তিক বিষয়বস্তু নিচে দেওয়া হলো—
১. প্রথম অধ্যায়ে কপিলের ঐতিহাসিকতা সম্পর্কে নানা প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাচীন সাহিত্যে প্রাপ্ত ইতিহাস, কপিলের মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন ও জন্মভূমি ইত্যাদি যথাসম্ভব বর্ণনা করা হয়েছে।
২. দ্বিতীয় অধ্যায়ে প্রমাণ করা হয়েছে যে, কপিল 'ষষ্ঠীতন্ত্র' রচনা করেছিলেন, যার অপর নাম 'সাংখ্যশাস্ত্র' বা 'সাংখ্যদর্শন'। বিভিন্ন সাহিত্যের প্রমাণে এই বিষয়টি সুদৃঢ় করা হয়েছে। 'কপিল ষষ্ঠীতন্ত্র রচনা করেছিলেন'—এটি কেবল পরম্পরা নয়, বরং বিভিন্ন সাহিত্যে এর বাস্তব উল্লেখ আছে, যা পাঠক এই অধ্যায়ে পাবেন।
৩. সাংখ্যসূত্র কপিলের রচনা নয়—এ বিষয়ে প্রথম যুক্তি দেওয়া হয় যে, কিছু সূত্র কারিকারূপ হওয়ায় সেগুলির ভিত্তিতে কেউ সূত্র রচনা করেছিল। এই যুক্তির সুপ্রমাণিত খণ্ডন তৃতীয় অধ্যায়ে করা হয়েছে। এখানে এও নিশ্চিত করা হয়েছে যে, কাপিল সূত্রগুলির প্রকৃত পাঠ কারিকারূপ নয়, সেগুলিকে কারিকারূপ পরে দেওয়া হয়েছে, যা এখনও চলছে।
৪. শঙ্কর, সায়ণ প্রমুখের গ্রন্থে সূত্রগুলির উদ্ধৃতি না থাকাকে সূত্রগুলির অকাপিল রচনা হওয়ার প্রমাণ হিসেবে বলা হয়—এর বিশ্লেষণ চতুর্থ অধ্যায়ে করা হয়েছে। সায়ণ ও শঙ্করের গ্রন্থ ছাড়াও সায়ণ থেকে ঈশ্বরকৃষ্ণ পর্যন্ত সাহিত্যে প্রায় পনেরো-ষোলোটি সূত্র উদ্ধৃত হয়েছে, যা এখানে দেখানো হয়েছে। এছাড়া ঈশ্বরকৃষ্ণেরও পূর্বের সাহিত্যে অনেক সাংখ্যসূত্র উদ্ধৃত হয়েছে, তারও উল্লেখ এই অধ্যায়ে আছে।
৫. সাংখ্যসূত্রগুলির কপিল-রচনা না হওয়ার তৃতীয় যুক্তি হলো—এগুলির কিছু স্থানে জৈন-বৌদ্ধ মতের খণ্ডন ও ন্যায়-বৈশেষিক প্রভৃতির নামোল্লেখ আছে। পঞ্চম অধ্যায়ে এই ধারণার বিশদ বিশ্লেষণ করা হয়েছে এবং সুপ্রমাণিত প্রমাণের ভিত্তিতে সাংখ্যদর্শনে কিছু সূত্রের প্রক্ষেপ ধরা পড়েছে। এগুলিতে 'পাটলিপুত্র' ও 'স্রুঘ্ন' নগরের নামোল্লেখ আছে, যা থেকে বোঝা যায় যে, এই সূত্রগুলির প্রক্ষেপ শুঙ্গকালের কাছাকাছি সময়ে কেউ করেছিল, যখন এই নগর দুটি উন্নতির শীর্ষে ছিল।
৬-৭. ষষ্ঠ ও সপ্তম অধ্যায়ে যথাক্রমে সাংখ্যসূত্রগুলির পূর্ববর্তী ব্যাখ্যাকার ও সাংখ্যকারিকার টীকাকারদের আবির্ভাবকাল নির্ণয় করা হয়েছে। এ বিষয়ে আধুনিক সময়ে যা কিছু লেখা হয়েছে, তার যথাযথ বিশ্লেষণও এখানে দেওয়া হয়েছে।
৮. অষ্টম অধ্যায়ে ঈশ্বরকৃষ্ণের পূর্ববর্তী সাংখ্যাচার্যদের যথাসম্ভব বর্ণনা আছে। তাদের মধ্যে যেসব প্রাচীন আচার্যদের উদ্ধৃতি বিভিন্ন সাহিত্যে পাওয়া গেছে, তার সংকলন এখানে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া 'বিন্ধ্যবাসী রুদ্র' ও এক বিস্মৃত সাংখ্যাচার্য 'মাধব'-এর বর্ণনাও আছে।

মহর্ষি কপিলের ঈশ্বরবাদ:

অনেক শতাব্দী ধরে এই ধারণা প্রচলিত আছে যে, কপিল নিরীশ্বরবাদী ছিলেন। কিন্তু বর্তমান সাংখ্যষড়ধ্যায়ীর গভীর তর্কপূর্ণ অধ্যয়ন এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় না। তাহলে এই ধারণার রহস্য কী?

সাংখ্যশাস্ত্রের সাথে কপিলের নাম তার প্রারম্ভিক কাল থেকেই যুক্ত। এই বিষয়ে ভারতীয় সমগ্র সাহিত্য একমত যে, সাংখ্যের প্রবক্তা আদি বিদ্বান পরমর্ষি কপিল। কপিলের পর সাংখ্যপরম্পরায় অনেক আচার্য এসেছেন, যারা কিছু বিষয়ে কপিলের মতের সাথে নিজেদের মতভেদ প্রকাশ করেছেন। তাদের মধ্যে একজন প্রধান আচার্য হলেন বার্ষগণ্য। তার কোনো গ্রন্থ এখন পাওয়া যায় না, কিন্তু সাংখ্যের ব্যাখ্যাগ্রন্থগুলিতে তার কিছু উদ্ধৃত অংশ পাওয়া যায়, যার ভিত্তিতে তার মত জানা যায়। যুক্তিদীপিকা (পৃ. ১০২)-তে তার একটি উদ্ধৃতি আছে— "প্রধানপ্রবৃত্তিরপ্রত্যয়া পুরুষেরণাপরিগৃহ্যমাণা প্রাদিসর্গে বর্ততে।"
আদিসর্গে প্রধানের প্রবৃত্তি চেতনাহীন, অর্থাৎ পুরুষ দ্বারা অপরিগৃহীত-অননুগৃহীত-অপ্রেরিতই হয়ে থাকে। এ থেকে স্পষ্ট যে, বার্ষগণ্য প্রকৃতির প্রবৃত্তিতে চেতন প্রেরণার প্রয়োজন মানেন না। এই মত জগতের প্রতি ঈশ্বরের নিয়ন্ত্রণকে অস্বীকার করে। ভারতীয় সাহিত্যে সাংখ্যের প্রভাবের সুযোগ নিয়ে নিরীশ্বরবাদী বৌদ্ধ বিদ্বানরা বার্ষগণ্যের এই মত সাংখ্যের নামে প্রচার করে, যা পরে কপিলের উপর আরোপিত হয়। পরে এই ভ্রান্ত ধারণার প্রভাবে মধ্যযুগীয় বিদ্বানরা সাংখ্যের 'ঈশ্বরাসিদ্ধেঃ' সূত্রের প্রকৃত অর্থ বুঝতে ভুল করেন এবং কপিলকে নিরীশ্বরবাদী বলে মনে করেন।

বাস্তবে কাপিল সাংখ্যে জড় প্রকৃতিকে জগতের মূল উপাদান মানেন, তাই ঈশ্বরকে জগতের নিয়ন্তা ও অধিষ্ঠাতা মানা হয়েছে। 'ঈশ্বরাসিদ্ধেঃ' সূত্রেও জগতের উপাদানরূপে ঈশ্বরকে অসিদ্ধ বলা হয়েছে, কিন্তু সর্বজগতের নিয়ন্তা ঈশ্বরকে নয়। পূর্বাপর প্রসঙ্গে এই অর্থ স্পষ্ট হয়। সাংখ্যের অন্যান্য প্রসঙ্গেও (৩.৫৬-৫৭ ও ৫.২-১২) ঈশ্বরের নিয়ন্তা ও অধিষ্ঠাতা হওয়া এবং প্রকৃতির জগদুপাদান হওয়ার বিস্তারিত বর্ণনা আছে।

এ থেকে স্পষ্ট যে, আসল সাংখ্যসিদ্ধান্ত কালে কালে কীভাবে ভ্রান্তির আড়ালে ঢাকা পড়েছে। প্রস্তুত ভাষ্যে সেগুলিকে সরিয়ে যথার্থতাকে স্পষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে। বিচক্ষণ পাঠকগণ মন্থন করলে নিজেই তা অনুভব করবেন।

info বইয়ের বিস্তারিত তথ্য
edit
লেখক:মহর্ষি কপিল
book
প্রকাশনী:বিজয়কুমার গোবিন্দরাম হাসানন্দ
calendar_month
প্রকাশকাল:২০১৭ খ্রিষ্টাব্দ
wysiwyg
পৃষ্ঠা সংখ্যা:৩৬৪
translate
ভাষা:হিন্দি
description
ফরম্যাট:PDF
save
ফাইল সাইজ:১৭.২ MB

downloadডাউনলোড করুন

আপনার পছন্দের ফরম্যাটে বইটি ডাউনলোড করতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন:

(ডাউনলোড লিঙ্ক কাজ না করলে বা কোনো সমস্যা হলে অনুগ্রহ করে মন্তব্য করুন।)